Monday, 17 February 2014

Welcome to knowledge kingdom of Ala Hazrat in bengali

আলা হযরত (রঃ) এর পরিচয় 
উনার পিতামহ মাওলানা শাহ্‌ রেযা আলী খান উনার নাম রাখলেন "মুহাম্মদ আহমদ রেযা খান", উনার বাবা মাওলানা হাকীম শাহ্‌ নকী আলী খান উনাকে আদর করে "আহমদ মিঞা" বলে ডাকতেন, আর মহীয়ষী মাতা পরম স্নেহের সাথে "আমান মিঞা" বলে সম্বোধন করতেন। কিন্তু তিনি নিজেই স্বীয় নামের পূর্বে "আব্দুল মোস্তফা" বা বিশ্ব নবীর গোলাম সংযোজন করতেন। 
বংশ পরিচয়
হযরত মাওলানা শাহ্‌ সাঈদ উল্লাহ খান সাহেব (রঃ) ছিলেন কান্দাহারের এক যুগশ্রেষ্ঠ আলিম ও বুযর্গ ব্যক্তি। তিনি তথাকার এক সম্ভ্রান্ত পাঠান গোত্রের বংশধর। মুঘল আমলে তিনি সুলতান মুহাম্মদ শাহ্‌ এবং নাছির শাহ্‌ এর সঙ্গে লাহোর আগমন করেন। সেখানে তিনি পরপর কয়েকটি সম্মানিত পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। লাহোরের "শীষ মহল" তাঁরই জায়গীর ছিল। অতঃপর তিনি দিল্লী গমন করেন। এখানেও তিনি সম্মানিত পদে অধিষ্ঠিত রয়ে "শুজায়াতে জঙ্গ" বা রণ-বীরত্ব উপাধী লাভ করেন। আলা হযরত (রঃ) সেই স্বনামধন্য পুরুষেরই বংশধর ছিলেন। তাঁর পূর্ব পুরুষদের প্রত্যেকেই তাদের যুগে জ্ঞান ও আমলের মূর্ত প্রতীক ছিলেন। 
আলা হযরতের বংশীয় শাজরা
মাওলানা শাহ্‌ সাঈদ উল্লাহ খান এর পুত্র মাওলানা শাহ্‌ মুহাম্মদ সাদত ইয়ার খান এর পুত্র মাওলানা শাহ্‌ মুহাম্মদ আযম খান এর পুত্র মাওলানা শাহ্‌ হাফেজ কাযেম আলী খান এর পুত্র মাওলানা শাহ্‌ রেযা আলী খান এর পুত্র ফকীহে যমান মাওলানা হাকীম শাহ্‌ নকী আলী খান এর পুত্র আলা হযরত মাওলানা ইমাম শাহ্‌ মুহাম্মদ আহমদ রেযা খান (রঃ) ।  
জন্ম ও ওফাত 
আলা হযরত তাঁর পূর্ব পুরুষদের আবাসভূমি ভারতের ব্রেরেলী শহরে (ইউ, পি) ১০ই শাওয়াল ১২৭২ হিজরী মোতাবেক ১৪ই জুন ১৮৫৬ ইংরেজী রোজ শনিবার যোহরের সময় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ২৫শে সফর ১৩৪০ হিজরী মোতাবেক ২৭শে সেপ্টেম্বর ১৯২১ সন জুমার দিন বেলা ২টা ৩৮ মিনিটে ব্রেরেলী শরীফে ইহলোক থেকে পর্দা করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজিউন) 
যে সব বিষয়ে আলা হযরত (রঃ) এর দক্ষতা প্রকাশিত হয়েছে
১. ইলমে কোরআন, ২. ইলমে হাদিস, ৩. উসুলে হাদিস, ৪. ফিকহ্‌ (সব মাযহাবের), ৫. উসুলে ফিকহ্‌, ৬. জদল, ৭. তাফসীর, ৮. আকাঈদ, ৯. কালাম (যা বাতিল-ফেরকার খন্ডনে লেখেছেন), ১০. নাহাভ (আরবী ব্যকরণ), ১১. ছরফ (আরবী ব্যকরণ), ১২. ইলমে মায়ানী, ১৩. ইলমে বয়ান, ১৪. ইলমে বদী (আরবী ভাষার অলঙ্কার শাস্ত্র), ১৫. মান্‌তিক্‌, ১৬. মুনাযারা, ১৭. দর্শন, ১৮. প্রকৌশল, ১৯. হাইয়াত (জ্যোতির্বিদ্যা), ২০. জ্যামিতি, ২১. গণিত, ২২. কিরাত, ২৩. তাজবীদ, ২৪. সূফীতত্ত্ব, ২৫. তরীকত, ২৬. আখলাক, ২৭. আসমায়ে রেজাল (হাদিস বর্ণনাকারীদের জীবনি), ২৮. সিয়র, ২৯. ইতিহাস, ৩০. নাত, ৩১. সাহিত্য, ৩২. এরিসমাতিকি, ৩৩. জবর ও মুকাবালা, ৩৪. হিসাবে সিত্তিনি, ৩৫. লগারিদম, ৩৬. তওকীত, ৩৭. মুনাযারাহ ও মারায়া, ৩৮. যিজাত, ৩৯. মুসাল্লাছে কুরভী, ৪০. মুসাল্লাছে মুসাত্তা, ৪১. হাইয়াতে জদীদা, ৪২. মুরাব্বায়াত, ৪৩. যফর, ৪৪. জায়েরজাহ, ৪৫. ইলমুল আকর, ৪৬. ফরাইজ, ৪৭. আরুজ ও কাওয়াফী (ছন্দ শাস্ত্র), ৪৮. নুজুম (নক্ষত্রবিদ্যা), ৪৯. আওকাফ, ৫০. ইতিহাস, ৫১. ফারসী (গদ্য ও পদ্য), ৫২. হিন্দী (গদ্য ও পদ্য), ৫৩. লিখন পদ্ধতি, ৫৪. নাস্‌তালিক পদ্ধতি ইত্যাদি। 



অদ্যাবধি প্রকাশিত বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলা হযরত (রহঃ) এর লিখিত  গ্রন্থাবলীর তালিকাঃ

সুধী পাঠকসমাজঃ আলা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খান ফাজেলে বেরেলভী (রহঃ) সম্পর্কে আমি একটি সুদীর্ঘ আলোচনা উপস্থাপন করেছি। তিনি ছিলেন উম্মতে মুহাম্মদীর কান্ডারী, চতুর্দশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ বা সংস্কারক। মিথ্যা অপবাদে তাকে সম্পৃক্ত করা ইতিহাস না জানা অজ্ঞ লোকের কাজ। তিনি এসব অপবাদ থেকে ছিলেন সম্পূর্ণ মুক্ত ও নিঃকলুষ। তাঁর লেখনী  দ্বারা তিনি ইসলামের খেদমত আঞ্জামা দিয়েছেন। তাই তিনি সবার শ্রদ্বেয় ও স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। সুন্নীয়তকে উজ্জীবিত করার লক্ষে তাঁর নিরলস সংগ্রাম ও পরিশ্রম ক্বিয়ামত পযর্ন্ত সুন্নী মুসলমানদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। সবাইকে আল্লাহ তায়ালা সঠিক বুঝ ও হেদায়ত দান করুক। (আমীন)
তাফসির (বিষয়ক)
() আযযিলালুল আনক্বা ফি বাহরে সাবক্বাতিল আতক্বা।
() নায়েলুররাহি ফি ফারক্বিররিহি ওয়াররিয়াহি।
() আনওয়ারুল হুকুম ফি মায়ানী মিয়াদি ইসতাজাবালাকুম।
() আসসামসাম আলা মুশাক্বক্বাক্বি ফি আয়াতি উলুমিল আরহাম।
() আননাফহাতুল ফাতিহা মিন মাসকি সুরাতিল ফাতিহা।
() হাশিয়া তাফসিরে বায়দ্বাভী শরীফ।
() হাশিয়া মায়ালিমুততানযিল।
() হাশিয়া ইনায়াতুল ক্বাযী।
() হাশিয়া আল ইতক্বান ফি উলুমিল কুরআন।
(১০) হাশিয়া দুররুল মানছুর।
(১১) হাশিয়া তাফসীরুল খাযিন।



হাদিস (বিষয়ক)
(১২) আননুযুমুস সাওয়াক্বিব ফি তাখরিজে আহাদিসিল কাওয়াকিব।
(13) আররাওযুল বাহিজ ফি আদাবিত তাখরিজ।
(১৪) আল বাহাসুল ফাহিস আনতুরুকি আহদিসিল খাসায়িস।
(১৫) আসসিমাউল আরাবাইন ফি শাফায়াতি সাইয়্যেদুল মাহবুবীন।
(১৬) তালালুল আফলাক বিজালালি হাদিসিল লাওলাক।
(১৭) যায়ালুল মুদ্দাই লি আহসানিদ্দোয়া।
(১৮) আম্বাউল হাযাক্ব বি মাসলাকিন নিফাক্ব।
(১৯) আযাবুল ইমদাদ ফি মুকাফফিরাতি হুকুকুল ইবাদ।
(২০) আল হেদায়াতুল মোবারাকাহ ফি খালাক্বিল মালাইকাহ।
(২১) আল হাদ্দুল কাফ ফি হুকমিদ্দোয়াফ।
(২২) মাদারিজু তাবাক্বাতিল হাদিস।
(২৩) আল আহাদিস আররাবিয়া লিমাধিল আমির মুয়াবিয়া
(২৪) আল ইজাযাতুর রাযাভিয়া লিমাব্জালি মাক্কাতিল বাহিয়্যা।
(২৫) ফাস্লুল কিসসা ফি রাসমিল ইফতা।
(২৬) হাশিয়াতুল কাশফি আন তাজাউযিহাল উম্মাহ আনিল আলফি।
(২৭) হাশিয়া সহীহ বুখারী শরীফ।
(২৮) হাশিয়া মুসলিম শরীফ।
(২৯)হাশিয়া তিরমিযী শরীফ।
(৩০)হাশিয়া নেসাই শরীফ।
(৩১)হাশিয়া ইবনে মাজা শরীফ।
(৩২)হাশিয়া তয়সীর শরহে জামে সগীর।
     (৩৩)হাশিয়া তাক্বরীব।
     (৩৪)হাশিয়া মুসনাদ ইমামে আযম।
     (৩৫)হাশিয়া কিতাবুল হাজিজ।
     (৩৬)হাশিয়া কিতাবুল আসার।
     (৩৭)হাশিয়া উসূলে তিবয়ি।
     (৩৮)হাশিয়া মুসনাদ ইমাম আহমদ বিন হাম্বল।
     (৩৯)হাশিয়া তাহাভী শরীফ।
     (৪০)হাশিয়া সুনান দারমী শরীফ।
     (৪১)হাশিয়া খাসায়েসে কুবরা।
     (৪২)হাশিয়া কামযুল উম্মাল।
     (৪৩)হাশিয়া তারগীব ইয়া তারহীব।
 (৪৪)হাশিয়া কিতাবুল আসমা ওয়াসসিফাত।
 (৪৫)হাশিয়া আল ক্বাওলুল বাদিয়ী।
 (৪৬)হাশিয়া নাইলুল আওতার।
 (৪৭)হাশিয়া আল মাক্বাসিদুল হুসনাহ।
 (৪৮)হাশিয়া  আল আলিল মাসনুয়াহ।
 (৪৯)হাশিয়া মাওযুয়াতে কবীর।
 (৫০)হাশিয়া আল আসাবাহফি মারেফোতিত সাহবাহ।
 (৫১)হাশিয়া তাযকেরাতুল হুফফায।
(৫২)হাশিয়া উমদাতুল ক্বারী।
(৫৩)হাশিয়া ফাতহুল বারী।
(৫৪)হাশিয়া ইরশাদুস সারী।
(৫৫)হাশিয়া নাসরুর রায়াহ।
(৫৬)হাশিয়া জামেউল অসায়েল ফি শারহিস শামাঈল।
(৫৭)হাশিয়া ফয়যুল ক্বদির শরহে জামেউস সগীর।
(৫৮)হাশিয়া মিরকাতুল মাফাতিহ।
(৫৯)হাশিয়া আশয়াতুল লুমআত।
(৬০)হাশিয়া মাজমাউল বিহারিল আনওয়ার।
(৬১)হাশিয়া ফাথহুল মুগিস।
(৬২)হাশিয়া মিযানুল ইতেদাল।
(৬৩)হাশিয়া আল ইলালূল মুতানাহিয়াহ।
(৬৪)হাশিয়া তাহযীবুত তাহযীব।
(৬৫)হাশিয়া খলাসায়ে তাহবীবুল কামাল।

আক্বায়িদ ও কালাম (বিষয়ক)
(৬৬) দাওউন নিহায়াহ ফি আলামিল হামদি ওয়াল হেদায়াহ।
(৬৭) আসসাইউল মাসকুর ফি ইবকাইল হাক্বক্বীল মাশহুর।
(৬৮) মেইবারুদ তালিব ফি শুউনে আবি তালিব।
(৬৯) আল মাতলাউল ক্বামারাইন ফি আমানাতি সবক্বাতিল উমারাইন।
(৭০) ঈদুল আহবাব ফিল যিলেওয়াল মুস্তাফা অয়াল আলে ওয়া আসহাব।
(৭১) আল বুশরাল আযিলা মিন তোহফে আযিলা।
(৭২) মাক্বামেউল হাদিস আলা খাদ্দিল মানতিক্বিল জাদীদ।
(৭৩) তাজাল্লিউল ইয়াক্বীন বিআন্না নাবীয়্যনা সাইয়্যেদুল মুরসালিন।
(৭৪) হায়াতুল ময়াত ফি বায়ানে সিমাইল আমওয়াত।
(৭৫) আল কাউকাবাতুশ শিহাবিয়াহ ফি কুফরিয়াতে আবিল ওয়াহাবীয়্যাহ। 
(৭৬)আরশুল ইজাযি ইয়াল ইকরাম লি আউয়্যাল মালুকিল ইসলাম।
(৭৭) যাব্বুল আহওয়াইল ইয়াহিয়া ফি বাবিল আমিরুল মুয়াবিয়া।
(৭৮) ফাতাওয়া আল কুদওয়া লি কাশফি দাফিনিন্নাদওয়া।
(৭৯) ফাতাওয়া আল হারামাইন বি রাহফি নাদওয়াতিল মাইন।
(৮০) ক্বাওয়ারিউল ক্বাহহার আলাল মুজাসসামাতিল ফুজ্জার।
(৮১) আল মক্কালুল বাহির আন্না মুনকিরুল ফিক্বহিল কাফির।
(৮২) আল মতামাদুল মুসতানাদ বেনায়ি নেজাতিল আবাদ।
(৮৩) আসসুউল ইক্বাব আলাল মাসিহিল কায্‌যাব।
(৮৪) রাদ্দুর রাফদ্বা।
(৮৫) দাফয়াতুল বাস আলা জাহিদিল ফাতিহা ওয়াল ফালাকি ওয়ান্নাস।
(৮৬) কাহরুদ্দিয়ান আলা মুরতাদি বি ক্বাদিয়ান।
(৮৭) হুসামুল হারামাইন আলা মানহারিল কুফরি ওয়াল মাইন।
(৮৮) মুবিনু আহকাম ওয়া তাসদিক্বাতু আলাম।
(৮৯) আল ফুয়ুযাতুল মালাকিয়্যাহ লি মুহিব্বিদ দাওলাতিল মাক্কিয়্যাহ।
(৯০) তামহীদে ইমান বে আয়াতে কুরআন।
(৯১) দামানে বাগ সিজনিস সুরহ।
(৯২) আল মুবিনূ খাতামুন নাবিয়্যিন।
(৯৩) মাক্কালুল উরাফা বে আয়াতে কুরআন।
(৯৪) লাময়াতুশ শামআলেহাদয়ে শিয়াতিশ শানআ।
(৯৫) আল জুরহুল ওয়ালিজ ফি বাতনিল খাওয়ারিজ।
(৯৬) আস সিমসামুল হায়দারী আলা হুমুক্বিল আয়ারি আল মুফতারি।
(৯৭) মুবিনুল হুদা ফিনাক্বিযি ইমকানিল মুস্তাফা।
(৯৮) আসসারিমুর রাব্বানী আল ইসরাফিল ক্বাদিয়ানি। 
(৯৯) যাফরুদ্দীন আল জাইয়্যিদ মুলাক্বক্বাববিহি বাতশি গাইয়্যিব।
(১০০) আল আক্বাইদ ইয়াল কালাম।
(১০১) আল ফারকুল ওয়াজিব বাইনান্নাবিয়িল আবিয ওয়াল ইয়াহাবি আর বাজিয।
(১০২) দাওয়ামুল আইশ ফি আইম্মাতি মিন কুরাইশ।
(১০৩) হাশিয়া শহরে ফিক্বহ আকবর।
(১০৪) হাশিয়া খায়ারি আলা শারাহিল আক্বাইদ।
(১০৫) হাশিয়া শরহে আক্বাইদ আযাদিয়াহ্‌।
(১০৬) হাশিয়া শরহে মাওয়াক্বিফ।
(১০৭) হাশিয়া শরহে মাক্বাসিদ।
(১০৮) হাশিয়া মুসামারাহ্‌ ওয়া মুসায়েরাহ।
(১০৯) হাশিয়া আততাফাররাক্বাত বাইনাল ইসলাম ইয়ায্‌। যিনদাক্কাত।
(১১০) হাশিয়া আল ইয়াওয়াকিত ওয়াল জাওয়াহির।


আলা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খাঁ (রহঃ) তাঁর ক্ষুরধার লেখনী দ্বারা বিশ্বের বরণ্য ব্যক্তিদের মাঝে স্থান করে নিয়েছেন। তাই বিশ্বের  বিভিন্ন দেশের পন্ডিতবর্গ তাঁর উপর বিভিন্ন গবেষণা পরিচালিত করেছেন। নিম্মে বর্ণিত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান গুলোতে গবেষকগণের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপকগণও গবেষক কর্ম হাতে নিয়েছেনঃ- 
(1)         বার্কলী ইউনিভার্সিটি -মার্কিন যুক্ত্ররাষ্ট্র।
(2)         কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি - নিউইয়র্ক, ঐ।
(3)         লিভেন ইউনিভার্সিটি - লিভেন, হল্যান্ড।
(4)         ডাবরান ইউনিভার্সিটি - ভারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা।
(5)         পাটনা ইউনিভার্সিটি - আলীগড়, ভারত।
(6)         মুসলিম ইউনিভার্সিটি- আলীগড়, ঐ।
(7)         উসমানিয়া ইউনিভার্সিটি- হায়দারাবাদ, ঐ।
(8)         সিন্দ ইউনিভার্সিটি- জামসেরো, পাকিস্তান।
(9)         করাচী ইউনিভার্সিটি- করাচী, পাকিস্তান।
(10)      পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি- লাহোর, ঐ।
(11)      বাহাউদ্দিন যাকারিয়া ইউনিভার্সিটি- মূলতান, ঐ।
(12)      ইমাম আহমদ রেযা রিসার্চ ইউনিভার্সিটি- করাচী, ঐ।
(13)      মদিনাতুল হিকমত হামদর্দ ফাউন্ডেশন। করাচী, ঐ।
(14)        জামেয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি- নতুন দিল্লী, ভারত।
(15)      হামদর্দ ইউনিভার্সিটি- নতুন দিল্লী, ভারত।
(16)     বারমিংহাম ইউনিভার্সিটি- যুক্তরাজ্য।
(17)     নিউ কামেল ইউনিভার্সিটি- ঐ।
(18)     ওয়ার্ল্ড ইসলামিক মিশন সেন্টার- করাচী, পাকিস্তান।
(19)     আল্লামা ইকবাল ওপেন ইউনিভার্সিটি- ইসলামাবাদ, ঐ।
     (২০)    ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি- ক্যালকাটা, ভারত।
(২১)    জামে আল আযহার ইউনিভার্সিটি- কায়রো, মিশর।
(২২)    ইবনে সুউদ ইউনিভার্সিটি- রিয়াদ, জাযিরাতুল আরব।
(২৩)    ঢাকা ইউনিভার্সিটি- ঢাকা, বাংলাদেশ।